শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরি!

আমরা অনেকেই শুনেছি সদরঘাট, বাসস্টান্ড, রেলস্টেশনে যাত্রীদের মালামাল চুরি হতে। আর সেই চুরিগুলো হয় বাইরের টোকাই, চোরদের দ্বারা। যা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। তাই বলে আপনি কি কখন দেখেছেন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ব্যাগ, লাগেজ কেটে বা তালা ভেঙ্গে যাত্রীদের মালামাল চুরি করতে! যেখানে কোন টোকাই বা ছিচকে চোর প্রবেশ করতে পারে না। তার মানে চোর ভিতরের কেউই হবে যিনি বিমান বন্দরেই চাকুরি করেন!

মালামাল চুরি

হা! লিখতে কষ্ট হলেও সত্য যে আমাদের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই ঘটে এরকম আজব চুরির ঘটনা। অনেকদিনের অভিযোগ থাকলেও প্রায়ই ঘটে এই নিকৃষ্ট ঘটনা। আজ ফেইসবুকে এমনি এক ঘটনার ভিডিও চোখে পড়লো। যেখানে দেখা গেছে কিছু যাত্রী ২ জন নিরাপত্তা অফিসারকে জিজ্ঞেস করছে কেন লাগেজ পেতে এক ঘন্টার বেশী লাগলো ও তাদের লাগেজের তালা ভেঙ্গে কে মালামাল চুরি করলো। কিন্তু তারা কোন সমাধান দিতে পারলো না। একজন যাত্রী কষ্টে বলেছেন, “আমি হার্টের রোগী, আমাকে কেন এই জগন্য হয়রানি করা হলো” । মালামাল চুরির বিষয়ে কেউই কোন সমাধান দিল না। অবশেষে তারা দায়িত্বরত ম্যজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ নিয়ে গিয়েছেন।

আমরা সবাই জানি প্রবাসী ভাই বোনেরা কত কষ্ট করে বিদেশে থাকেন ও আয় করেন। দেশের মা-বাবা, আত্নীয় স্বজন রেখে বছরের পর বছর বিদেশে থাকেন। কেউ ৫ বছর, কেউ ৮ বছর বা কেউ ১০ বছর পরে দেশে আসেন প্রিয় মানুষগুলোর কাছে। তাদের কষ্টে আয় করা টাকা দিয়েই তারা দেশের প্রিয় মানুষদের জন্য কিনে নিয়ে আসেন ভালো ভালো জিনিস। পুরোন করেন প্রিয় মানুষের চাওয়া। কিন্তু সেই জিনিস গুলো যদি নিজ দেশের বিমানবন্দর থেকেই চুরি হয় তখন তাদের কেমন অনুভূতি হয়? আপনাদের কাছেই রইলো সেই প্রশ্ন। বিশেষ করে, যারা এই চুরিগুলো করেন তাদের কাছে অনুরোধ আর কতো প্রবাসী ভাইদের কষ্ট দিবেন। বাদ দিন এইসব জঘন্য কাজ।

সর্বশেষ, শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ এই যে আপনারা এই বিষয়টি ভালোভাবে দেখুন। বিদেশফেরত প্রবাসী ভাই-বোনদেরকে হাসিমুখে তাদের প্রিয়জনদের কাছে ফিরতে দিন।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন…

Check Also

খাসির গোস্তের কেজি ৮০০ টাকা আর পানির কেজিও ৮০০ টাকা

খাসির মাংসের কেজি ৮০০ টাকা আর পানির কেজিও ৮০০ টাকা ! ভিডিও

আমরা হয়তো খাসির গোস্ত ৮০০ টাকা কেজি ক্রয় করতে অভ্যস্ত। কিন্তু কখনো কি পানির কেজিও …

Leave a Reply